ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়

প্রিয় পাঠক, এই পোস্টে আমি বলবো কিভাবে গুগল ভেরিফাই সার্টিফিকেট অর্জন করুন সম্পূর্ণ ফ্রি ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার গড়ে তুলবেন এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য স্কিল ডেভলপ করে অর্থ উপার্জন করবেন অনলাইনের মাধ্যমে।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় আপনারা ইতিমধ্যে অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং এটির সাথে যুক্ত আছেন এবং অনেকেই চাচ্ছেন নতুন করে ডিজিটাল মার্কেটিং করে ক্যারিয়ার গঠন করবেন। আমি এই পোস্টে বিস্তার আলোচনা করব।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
আমি কিছু প্রক্রিয়া বলবো ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় যা আপনাদের স্কিলকে ডেভেলপ করবে। আপনারা যদি একদম প্রথম থেকে ধাপে ধাপে শুরু করতে চান আপনাদের ২/৩ মাস সময় লাগতে পারে। আপনি স্কিল ডেভেলপ করার জন্য নিজেকে যত বেশি সময় দিবেন শিখতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিং, বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

ভূমিকা

আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করে মনিটাইজিং পাওয়া পর্যন্ত যদি যেতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় প্রথম অবস্থায় অনলাইনের মধ্যে যে কোথাও আপনি 10$ - 40$ প্রতি ঘন্টার জন্য আশা করতে পারেন। এই স্কিল শিখার জন্য আপনার কোন ইনভেস্টমেন্ট দরকার নেই।
ডিজিটাল মার্কেটিং এ ইনভেস্টমেন্ট বলতে আপনার ল্যাপটপ, ইন্টারনেট সংযোগ আর আপনার স্কিল। শেখার প্রচেষ্টা আপনাকে এই মার্কেটিং সেক্টরে দক্ষতা অর্জন করতে সাহায্য করবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়

ডিজিটাল মার্কেটিং করে আপনি ঘরে বসে অথবা বিভিন্ন কোম্পানিতে জব করতে পারেন ফুল টাইম অথবা পার্ট টাইম। যারা একদম প্রথম থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ১/২ মাস কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য সহকারে শিখতে হবে। কোন দ্বিধা ছাড়া আপনার সমস্ত প্রচেষ্টা কে কাজে লাগিয়ে মনিটাইজেশন পাওয়া পর্যন্ত আমি আপনাদের কে তিনটি ধাপে বিষয়টা ব্যাখ্যা করব। তিনটি ধাপ সম্পূর্ণভাবে পড়তে ও বুঝতে উপরের সূচিপত্র আপনাকে সাহায্য করবে।

গুগল ভেরিফাই সার্টিফিকেট অর্জন করুন

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য গুগল ভেরিফাই সার্টিফিকেট অর্জন এর জন্য বেসিক থেকে শুরু করে A to Z শেখার জন্য Skillshop ক্লিক করতে পারেন। ক্লিক করার আগে জেনে নিন কিভাবে এটি কাজ করে এবং কিভাবে গুগল আপনাকে ভেরিফাই সার্টিফিকেট দিবে। এটি সম্পর্কে আপনাকে শুরু থেকে জানতে হবে, না হলে ডিজিটাল মার্কেটিং সার্টিফিকেট থেকে আপনি বঞ্চিত হবেন।
গুগল আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার জন্য সমস্ত রিসোর্স ও প্ল্যাটফর্ম ফ্রি দিয়ে থাকবে আপনাকে শুধু শিখতে হবে। গুগলের সকল কোর্স ও প্ল্যাটফর্ম অনেক সুন্দর ও বন্ধু সুলভ ভাবে কোর্স সাজানো যাতে করে বিগিনাররা খুব সহজে বুঝতে পারে। প্রতিটি মডিউল শেষে প্র্যাকটিস ফাইল থাকবে, যাতে আপনি শিখার পরে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করতে পারেন।
Skillshop একাউন্ট খোলার জন্য আপনার জিমেইল অথবা ইমেইল থাকতে হবে কারণ কোর্স শেষে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্টিফিকেট আপনাকে ই-মেইলের মাধ্যমে দেওয়া হবে। আপনি যদি একটি সংস্থার সাথে কাজ করতে চান আপনাকে গুগল ভেরিফাইড একটি ব্যাচ দেওয়া হবে। সম্পূর্ণ বিষয় বুঝে থাকলে আপনি নিচে ধাপ গুলো করতে পারেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় গুগলের স্কিলশপ ওয়েবসাইটে যখন প্রথম প্রবেশ করবেন, তখন আপনার সামনে এরকম একটি ইন্টারফেজ আসবে। আপনার যদি এসব নিয়ে বিস্তার জানতে ইচ্ছা থাকে আপনি এগুলো দেখতে পারেন। আপনি যদি একাউন্ট করতে চান, ছবিতে দেখানো ডান কন্যারে ক্লিক করুন অথবা গেট স্টার্টেড।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
আপনার যদি একের অধিক ই-মেইল থাকে সে ক্ষেত্রে যে ই-মেইল দিয়ে আপনি এ্যাকাউন্ট খুলতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
ই-মেইলে ক্লিক করলে আপনার সামনে প্রোফাইল সেটিং করার অপশন চলে আসবে। প্রথমে আপনাকে দেশ বাছাই করতে হবে। আপনি আসলে মার্কেটিং কোন দেশ থেকে করতেছেন এইটা ট্রাক করার জন্য। এরপর আপনাকে আপনার কোম্পানির নাম দিতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় আমি যেমন আমার ওয়েবসাইটের নাম দিয়েছি। আপনারা ইচ্ছামত নাম দিতে পারেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
সব লেখা শেষ হয়ে গেলে নিচে চলে আসুন। আপনি যে বিষয় শিখতে চান তার ওপরে ক্লিক করুন এবং Continue করে দিন তাহলে আপনার কাজ শেষ।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
গুগল যদি আপনাকে কোন নির্দেশনা বলি দিয়ে থাকে তাহলে সেটি ফাঁকা বক্সে ক্লিক করে একসেপ্ট করে সাবমিট করে দিন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
সাবমিট করা শেষে আপনার সামনে ওয়েলকাম পেজ বা হোম পেজ চলে আসবে। আপনি যেহেতু বিগিনার আপনি চলে যাবেন ছবিতে দেখানো ব্রাউজার এ। ব্রাউজ এ প্রবেশ করার পর আপনি অনেকগুলো টপিক্সের ওপর কোর্স দেখতে পাবেন। বিগিনার হিসেবে গুগল এ্যাড এই কোর্স শুরু করা খুব সহজ। ক্লিক করুন গুগল এ্যাড এ টপিকস।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
গুগল এড কে সকল অ্যাড এর মা চিন্তা করা হয়। আপনি যখন গুগল এডস ক্লিক করবেন প্রথমে আপনি দেখতে পারবেন Google Ads Certifications ফান্ডামেন্টাল শেখা হলে আপনি এখান থেকে সার্টিফিকেট নিতে পারবেন, স্ক্রল করে নিচের দিকে আসুন। ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় একজন বিগিনার হিসেবে আপনার উচিত হবে Google Ads Search এখান থেকে শুরু করে Google Ads - Measurement পর্যন্ত শিখতে পারেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
আপনি যখন Google Ads Search এ ক্লিক করবেন। আপনার সামনে অনেক গুলো কোর্স চলে আসবে। আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন একটি মডিউল শুরু করতে পারেন। Google Ads Search certification আপনি যদি সম্পূর্ণ কোর্স শিখতে চান ৩.৭ ঘন্টার ভিডিও আপনাকে সাহায্য করবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
Google Ads Search certification কোর্সটি শুরু করার জন্য GET STARTED বাটনে ক্লিক করুন। এখানে নতুনদের কথা চিন্তা করে খুব সহজে করে কোর্সটি সাজানো রয়েছে। আপনি চাইলে একবার পড়ে নিতে পারেন। সম্পূর্ণ শেখা হয়ে গেলে আপনি আপনার সার্টিফিকেটের জন্য অগ্রিম প্রস্তুতি নিতে পারেন Knowledge Check Assessment এর মাধ্যমে।
আপনার সামনে অপশনাল ও আবশ্যক পোস্ট থাকবে। আপনার শিখা শেষ হয়ে গেলে সার্টিফিকেটের জন্য Google Ads Search Assessment এ আপনি পরীক্ষা দিতে পারেন। ৮০% মার্কে পাস আপনি যদি তার কম মার্ক পান ২৪ ঘন্টা পরে আপনি আবারো পরীক্ষা দিতে পারবেন। এই সার্টিফিকেট আপনার প্রোফাইল ও অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্মে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়
Google Ads Certifications শিখা শেষ হয়ে গেলে আপনি পরবর্তী অন্য প্ল্যাটফর্মের জন্য চেষ্টা করতে পারবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এই সার্টিফিকেট শুধু ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য নয় আপনার কাজের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনার রিজিউম ও ইন্টারভিউ এ অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ডিজিটাল মার্কেটিং করে ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি বিভিন্ন অফিসে চাকরি করতে পারবেন।

আপনার দক্ষতা বাড়ান

আপনাকে ধৈর্যশীল হতে হবে ও শিখার আগ্রহ দৃঢ় হতে হবে। গুগলে বিস্তারিত অনেক কিছু আছে যা আপনাকে শিখতে বা আপনার স্কিল ডেভেলপ করতে সাহায্য করবে। গুগল যদি আপনার কাছে কম মনে হয় আপনি ইউটিউব এর দিকে যেতে পারেন। ইউটিউব অনেক রিসোর্স আছে যাদের ভিডিও দেখে আপনি শিখতে পারেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং এটি কোন রকেট সাইন্স না যে আপনি শিখতে পারবেন না। ওপরের পয়েন্টে যে ভাবে বলা আছে আপনি যদি ধাপে ধাপে ফলো করতে পারেন আপনার জয় সু-নিশ্চিত। এছাড়া আপনারা যদি আরও বেশি জানতে আগ্রহ হন তাহলে Google Ads Help এখান থেকে নতুন বৈশিষ্ট্য এবং ঘোষণা জানতে পারবেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়

উপার্জন করতে শিখুন

কিভাবে শিখতে হবে সেটা না হয় বুঝলাম কিন্তু কি ভাবে উপার্জন করতে হবে এটা নিয়ে আমরা অনেক দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে থাকি। আপনার যখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর দক্ষতা চলে আসবে এবং আপনি সার্টিফিকেট অর্জন করবেন। অনলাইনে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে টাকা ইনকাম করার জন্য। আমার কাছে সবচাইতে বিশ্বস্ত যে দুটি প্ল্যাটফর্ম থেকে টাকা উপার্জন করা যায় তার মধ্যে Upwork ও অন্যটি Freelancer.

পাঠকের মতামত

সম্মানিত পাঠকগণ, এতক্ষণে নিশ্চয়ই জেনে গেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। পোস্টটি আপনার উপকারে আসলে এখনই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। এছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে আর্টিকেল পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন। সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url