উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম

  

প্রিয় পাঠক উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম এ উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল এর সময় অনেকে অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। চিন্তার কোন কারণ নেই আমি আপনাকে এই পোষ্টের মাধ্যমে জানাবো কিভাবে উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম ও টিপিএম ২.০ কিভাবে চালু করবেন আপনার পার্সোনাল ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপে। চিন্তার কোন কারণ নেই আমি এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাকে এলার্জি থেকে পরিত্রান এর উপায় বলে দিব।
উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম
উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম উইন্ডোস ১১ এর ঘোষণা আসে গত ২৪ জুন মাইক্রোসফট এর পক্ষ থেকে। উইন্ডোস ১১ এর ডিজাইন এবং সুবিধা সম্পর্কে এখন অনেকেই অবগত। অপারেটিং সিস্টেমটির প্রথম দর্শনে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা আপডেট ভার্সন এর প্রেমে পড়ে গেছেন। বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

ভূমিকা

উইন্ডোস ১১ অফিসিয়ালি আসার পর থেকে আমাদের সবার মধ্যেই একটি চিন্তা কিভাবে উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করব এবং সম্পূর্ণ সেটআপ করব। উইন্ডোস ১১ সেটআপ করার জন্য আপনার কম্পিউটারের ন্যূনতম কিছু কনফিগারেশন দরকার যেগুলো না হলে আপনার কম্পিউটার এ উইন্ডোজ ১১ সেটআপ নিবেনা। টিপিএম ২.০ কিভাবে চালু করবেন এবং কিভাবে ইন্সটল করবেন। চলুন জেনে নেই উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ ১০থেকে কিভাবে উইন্ডোস ১১ ইন্সটল করবেন।

কম্পিউটারের ন্যূনতম যা যা দরকার

  • উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম এর ন্যূনতম যা দরকার
  • প্রসেসরঃ ১ গিগাহার্জ বা তারও বেশি গতির ২ বা ততোধিক করের ৬৪ বিটের প্রসেসর
  • র‍্যামঃ ৪ গিগাবাইট
  • টিপিএমঃ ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম মডিউল ২.০
  • স্টোরেজঃ হার্ডডিক্সের ৬৪ গিগাবাইট ফাকা স্পেস
  • সিস্টেম ফার্মওয়্যারঃ UFFI মুডে থাকতে হবে
  • গ্রাফিক্সঃ গ্রাফিক্স কার্ডের স্পেসিফিকেশন Directx Version কমপক্ষে ১২ হতে হবে। এছাড়াও WDDM কমপক্ষে ২.০ হতে হবে
  • মনিটরঃ কমপক্ষে ৯ ইঞ্চি, ৮ বিট কালার চ্যানেলসহ, ৭২০ পিক্সলের হাই ডেফিনেশনে ডিসপ্লে বা মনিটর থাকতে হবে

টিপিএম ২.০ কিভাবে চালু করবেন

অনেকের উচ্চকনফিগারেশন এর কম্পিউটারেও উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করা যাচ্ছে না। বেশিরভাগ ব্যবহারকারী প্রথম ও প্রধান সমস্যার মুখে পড়ছেন পিপিএম ২.০ নিয়ে। আপনার পিসিতে টিপিএম আছে কিনা জানতে আপনার বর্তমান উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের পিসিতে Win + R বোতাম দুটি চাপুন।
আপনার সামনে রান ইন্টারফেস এলে সেখানে ' tpm.msc ' লিখে ইন্টার চাপুন অথবা ওকে বোতামে ক্লিক করুন। আপনার পিসিতে যদি টিপিএম চিপ থাকে তাহলে নিচে ছবির মত ইন্টারফেস দেখাবে।
আর যদি টিপিএম চিপ না থাকে তাহলে দেখাবে এমন ইন্টারফেস
বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর পিসিতে টিপিএম চিপ থাকা সত্ত্বেও দেখাচ্ছে তাদের পিসিতে উইন্ডোস ১১ ইনস্টল হবে না। এক্ষেত্রে টিপিএম চিপের সংস্করণ হালনাগাদ করে নিতে হবে বায়োস থেকে। প্রথমে আপনার পিসির ডিভাইস ম্যানেজার থেকে দেখে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে টিপিএম চিপ আছে কি না। এজন্য আবারও Win + R বোতাম দুটি চাপুন। আপনার সামনে রান ইন্টারফেস এলে তাতে ' devmgmt.msc ' এই কমান্ড লিখে ইন্টার করুন।
এরপর সিকিউরিটি ডিভাইস ট্যাবে সিপিএম চিপস দেখতে পারবেন। যদি tpm.msc কম্যান্ডে আপনার টিপিএম চিপ না দেখায় কিন্তু ডিভাইস ম্যানেজারের টিপিএম চিপ দেখায়, সে ক্ষেত্রে আপনাকে বায়োস থেকে টিপিএম চিপ একটিভ করতে হবে।
বায়স থেকে টিপিএম চিপ একটিভ করতে আপনার পিসি রিস্টার্ট দিন। আর বন্ধ থাকলে চালুর সময় F2 বোতাম(F10, F12, F1, অথবা DEL বোতাম হতে পারে) চেপে বয়সে প্রবেশ করুন।অ্যাডভান্সড অথবা সেটিংস অপশনে গিয়ে মিসেলেনিয়াস অংশে ঢুকে ইনটেল প্ল্যাটফর্ম ট্রাস্ট টেকনোলজি (পিটিটি) চালু করে সংরক্ষণ করুন।
এরপর বুট মেনুতে গিয়ে সিকিউর বুট অপশন একটিভ করে সেভ এন্ড এক্সিট দিয়ে আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। তারপরও যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়,সে ক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ড ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইট থেকে আপনার মডেল অনুযায়ী টিপিএম চিপের ড্রাইভার নামিয়ে ইনস্টল করুন।

উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম

আপনি যদি আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনুরধ করা হোল। এই পোস্ট টি পুরোটায় পড়তে পোস্ট সূচিপত্রঃ আপনাকে ধাপ এ ধাপ এ সাহায্য করবে।

পিসি বা কম্পিউটারের হেলথ চেক

আপনার কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে যদি ইতিমধ্যে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা থাকে তাহলে আপনি মাত্র একটি ধাপে উইন্ডোজ ১১ ফ্রিতে আপডেট করে নিতে পারবেন।
আপনি প্রথমে আপনার কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে হেলথ চেক করে দেখুন যে আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন অনুযায়ী উইন্ডোজ ১১ উপযোগী কিনা। পিসি হেলথ চেক টুলটি এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে দেখে নিন।

পাঠকের মতামত

সম্মানিত পাঠকগণ, এতক্ষণে নিশ্চয়ই জেনে গেছেন উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার জন্য কি কি নিয়ম ফলো করতে হবে। উইন্ডোজ ১১ ইন্সটল করার সঠিক নিয়ম পোস্টটি আপনার উপকারে আসলে এখনই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। এছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে আর্টিকেল পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন। সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url